পোস্টগুলি

কোরআন ও প্রাণী বিজ্ঞান

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. এই পোস্টটি থেকে আপনারা জানতে পারবেন  পাখি ও প্রাণী দল বা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে। পবিত্র কোরআনের আয়াত ও বিজ্ঞান থেকে। পাখির উড্ডয়ন সম্পর্কে  মৌমাছি ও তাদের দক্ষতা সম্পর্কে  মাকড়সার জাল এবং  পিপীলিকার জীবনধারা ও যোগাযোগ সম্পর্কে । ১.পাখি ও প্রাণী দল বা সম্প্রদায় হিসেবে বাস করে। পবিত্র কোরআনের আয়াত ও বিজ্ঞান থেকে। মহান আল্লাহ বলেনঃ “আর যত প্রকার প্রাণী পৃথিবীতে বিচরণশীল রয়েছে এবং যতপ্রকার পাখী দু’ডানাযোগে উড়ে বেড়ায়,তারা সবাই তোমাদের মতই একেকটি সম্প্রদায় বা দল।”সূরা আল আনআম-৩৮ গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণী ও পাখী দলীয়ভাবে বাস করে।অর্থাৎ তারা সংগঠিত এবং  এক সাথে কাজ করে ও বাস করে। ২.পাখির উড্ডয়ন সম্পর্কে  আল্লাহ বলেনঃ “তারা কি উড়ন্ত পাখীকে দেখেনা? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে আজ্ঞাধীন রয়েছে।আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে আগলে রাখেনা।নিশ্চয়ই এতে বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে।”সূরা নহল-৭৯ অন্য সূরায়ও পাখী সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।আল্লাহ বলেনঃ “তারা কি লক্ষ্য করেনা,তাদের মাথার উ...

কোরআন ও উদ্ভিদ বিজ্ঞান

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. পবিত্র কোরআন ও আধুনিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান  #পুরুষ ও স্ত্রীলিঙ্গ বিশিষ্ট উদ্ভিদ  মানুষ আগে জানত যে,গাছের মধ্যেও পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ আছে।কিন্তু উদ্ভিদ বিজ্ঞানের মতে প্রত্যেক গাছের মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ আছে।এমনকি সমলিঙ্গ বিশিষ্ট গাছেরও পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গ আছে।আল্লাহ বলেনঃ ‘তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন উদ্ভিদ জোড়ায় জোড়ায় উৎপন্ন করেছি।’[সূরা তোহা-৫৩] #ফলের মধ্যেও স্ত্রীলিঙ্গ ও পুরুষ লিঙ্গ  আছে। আল্লাহ বলেনঃ “এবং প্রত্যেক ফলের মধ্যে তিনি দু’প্রকার বা জোড়া সৃষ্টি করেছেন।”[সূরা রাদ-৩] ফল হল,উন্নত জাতের গাছের উৎপাদন।ফল উৎপন্ন হওয়ার আগের স্তর হল,ফুল।ফলের রয়েছে পুরুষ ও স্ত্রী জাতীয় অঙ্গ।(পুংকেশর ও ডিম্বক)। পুষ্পরেণু ফুলের মধ্যে এসে পড়লে ফল ধরে, পরিপক্ক হয় এবং বীজ ধারণ করে।দেখা যায়,প্রত্যেক ফলেই পুরুষ ও স্ত্রী লিঙ্গের অস্তিত্ব রয়েছে। আর একথা কোরআনে উল্লেখ আছে।বিশেষ কিছু প্রজাতি রয়েছে যে গুলোর ফল অনিষিক্ত ফুল থেকে আসে।সেগুলোকে পার্থেনোকর্পিক ফল বলা হয়। যেমনঃকলা,বি...

মহাসাগর সম্পর্কে কোরআন ও বিজ্ঞান এর আলো

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. #মিষ্টি ও লবণাক্ত পানি এমর্মে আল্লাহ কোরআন মজীদে বলেনঃ “তিনি পাশাপাশি দু’সাগর প্রবাহিত করেছেন উভয়ের মাঝে রয়েছে অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করেনা।”সূরা আর রাহমান -১৯-২০ আরবী ভাষার (আরবী )মানে ,আড়াল বা অন্তরায়।অবশ্য এটা কোন দৈহিক অন্তরায় নয়।(আরবী )শব্দের অর্থ হল,তারা উভয়ে (দু’সাগর )এক সাথে মিশে একাকার হয়ে যায়।’প্রাথমিক যুগের তাফসীরকারকরা পানির দু’টো ধারার দু’টো বিপরীতমুখী অর্থের ব্যাখ্যা করতে অপারগ ছিলেন।অর্থাৎ কিভাবে তারা মিশে একাকার হয়ে যায়,অথচ উভয়ের মধ্যে রয়েছে আড়াল।আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে,যেখানে দু’সাগর এসে মিলিত হয় সেখানে উভয়ের মাঝে একটি আড়াল বা অন্তরায় থাকে।ঐ অন্তরায় দু’সাগরকে বিভক্ত করে রাখে।ফলে দেখা যায়,প্রত্যেক সাগরের রয়েছে নিজস্ব তাপমাত্রা,লবণাক্ততা এবং ঘনত্ব।(1.principles of oceanography, Davis,pp 92-93)সাগর বিশারদদের পক্ষে এ আয়াতের ব্যাখ্যা দানের উত্তম সুযোগ রয়েছে।সাগরের মাঝে প্রবাহমান ঢালু পানির অদৃশ্য আড়াল আছে যার দিয়ে এক সাগরের পানি অন্য সাগরে যায়। কিন্তু যখন এক সাগরের পানি অন্য ...

কোরআন ও ভূ-তত্ব বিজ্ঞান

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. #পাহাড় পর্বত সমূহ তাঁবুর পেরেকের মত ভূতত্ব বিদ্যায় ভাজ করার বিষয়টি সম্প্রতি আবিষ্কৃত সত্য এবং পাহাড় - পর্বত সৃষ্টির পেছনে ভাঁজ করার বিষয়টি কার্যকর।আমরা যে ভূপৃষ্ঠে বাস করি তা শক্ত ছালের মত।পক্ষান্তরে এর গভীর স্তরগুলো গরম ও তরল যা কোন প্রাণী বাস করার উপযোগী নয়।এটা জানা কথা যে, পাহাড় - পর্বতের স্থিতিশীলতার সম্পর্ক ভাঁজ করার ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত।কেননা ভাঁজ করার ফলেই পাহাড় - পর্বতের ভিত্তি তৈরি হয়েছে‌। ভূতত্ববিদরা বলেন যে, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হল,৬,০৩৫ কিলোমিটার।আর আমরা যে ভূপৃষ্ঠে বাস করি তা বেশী পাতলা যার পারিসর ২-৩৫ কিলোমিটার।যেহেতু,ভূপৃষ্ঠ পাতলা,তাই তার নড়ার সম্ভাবনা বেশী।পাহাড় গুলো খুটি কিংবা তাঁবুর পেরেকের মত কাজ করে যা ভূপৃষ্ঠকে স্থিতিশীল রাখে।কোরআন হুবহু এরূপ কথাই বলেছে।আল্লাহ বলেনঃ “আমরা কি যমীনকে বিছানা এবং পাহাড়কে পেরেক লোহা বানাইনি?” -সূরা আন নাবা- ৬-৭ (আরবী) এগুলো হল,ভৌগলিক ভাঁজের ভিত্তি।‘Earth’নামক একটি বই বিশ্বের বহু বিশ্বদ্যালয়ে ভূ-তত্ব বিদ্যার রেফারেন্স বই হিসেবে গণ্য হয়।ঐ বইয়ের একজন প্রখ...

পানি সম্পর্কে কোরআন ও বিজ্ঞান এর আলো

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. ১৫৮০ খৃঃ বর্ণার্ড পলিসি সর্বপ্রথম বর্তমান যুগের পানি চক্র সম্পর্কে আলোচনা করেন।তিনি সাগর থেকে বাষ্পাকারে পানির উড়ে যাওয়া এবং পরে ঠান্ডা হয়ে মেঘে পরিণত হওয়ার বিষয়ে মত প্রকাশ করেন।মেঘমালা সাগর থেকে দূরবর্তী ভূখন্ডের উপর ঘনীভূত হয়ে পরে বৃষ্টি আকারে নীচে পতিত হয়।বৃষ্টির পানি খাল-বিল ও নদী-নালায় জড় হয়ে অব্যাহত নিয়মে সাগরে প্রবাহিত হয়।খৃষ্টপূর্ব ৭ শতাব্দী আগে,মিলেটাসের থেলসের মতে সাগরের উপরিভাগের ছিঁটানো পানি কণাকে ধারণকারী বাতাস, ভূখন্ডে তা বৃষ্টি আকারে ছড়িয়ে দেয়। আগের যুগের লোকেরা ভূগর্ভস্থ পানির উৎস সম্পর্কে জানতনা।তারা ভাবত যে,সাগরের পানি দমকা বাতাসের মাধ্যমে সজোরে ভূখন্ডে এসে পতিত হয়।তারা আরও বিশ্বাস করত যে,গোপন পথে কিংবা গভীর জলরাশি থেকে পানি পুনরায় ফিরে আসে যা সাগরের সাথে জড়িত।প্লেটোর যুগ থেকে এটাকে ‘তারতারুস’ বলা হত।এমন কি ১৮শ শতাব্দীর বিখ্যাত চিন্তাবিদ ডেস কার্টেজও এমত পোষণ করতেন।১৯শতকে এরিষ্টেটলের তত্ব সর্বত্র বিদ্যমান ছিল।ঐ তত্বে বলা হয় যে, পাহাড়ের ঠান্ডা গভীর গুহায় পানি ঘনীভূত হয় এবং মাটির নী...

কোরআন ও পদার্থবিজ্ঞান

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. Quran and science  অণূকে বিভক্ত করা যায়ঃ প্রাচীন যুগে ‘অণুতত্ব’ নামে একটি তত্ব ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছে।২৩০০ বছর আগে, গ্রীকদেশীয় এ তত্বটি যিনি দেন,তার নাম,Democritus।ডেমোক্রিটাস ও তার পরবর্তী যুগের লোকেরা মনে করত যে,বস্তুর সর্বাধিক ক্ষুদ্র একক হচ্ছে,অণু।প্রাচীন আরবরাও তা বিশ্বাস করত।আরবী শব্দ (আরবী) এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে,অণু।সম্প্রতি,আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে, বিভক্ত করা যায়।অণুকে বিভক্ত করার বিষয়টি বিংশ শতাব্দীর আবিষ্কার।আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে এ শব্দটি আরবদের কাছেও ছিল অসাধারণ।কেননা,কেউ (আরবী )শব্দের সীমাবদ্ধ অর্থের গতি অতিক্রম করতে পারেনি।কোরআনের নিম্নের আয়াতটি (আরবী ) শব্দের এই সীমা স্বীকার করেনা।আল্লাহ বলেনঃ “কাফেররা বলে,আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না।বলুন,কেন আসবেনা? আমার প্রতিপালকের শপথ,অবশ্যই আসবে।তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত।আসমান ও যমীনে অণু পরিমাণ কিংবা তা থেকে ক্ষুদ্র ও বড় কোন কিছুই তার অগোচরে নয়।সমস্তই আছে সুষ্পষ্ট কিতাবে।”( সূরা সাবা-৩) অনুরূপ বর্ণনা সূরা ইউসুফের ৬১নং আয়াতেও আছে। এ আয়াত...

قرآن کا چیلنج جدید سائنس اور قرآن پاک

ছবি
Welcome to my profile Follow me for more information of the Islamic and Veritas subject. قرآن کا چیلنج  جدید سائنس اور قرآن پاک تمام ثقافتوں میں ادب اور شاعری انسانی اظہار اور تخلیق کا ذریعہ ہیں۔ ادب اور شاعری ایک زمانے میں دنیا میں فخر کا مقام رکھتی تھی جیسا کہ سائنس اور ٹیکنالوجی نے موجودہ دور میں کیا ہے۔  حتیٰ کہ غیر مسلم علماء بھی اس بات پر متفق ہیں کہ قرآن عربی کا بہترین ادب ہے۔ دنیا کا دوسرا بہترین ادب نہیں ہے۔ قرآن نے بنی نوع انسان کو ایسی کتاب دریافت کرنے کا چیلنج دیا۔  اللہ فرماتا ہے:  ''اگر تمہیں اس میں شک ہے جو ہم نے اپنے بندے پر نازل کیا ہے تو اس جیسی ایک سورت بنا لو، اپنے ساتھ ان لوگوں کو لے لو جو اللہ کے سوا تمہاری مدد کرتے ہیں، اگر تم سچے ہو، اگر تم نہیں کر سکتے تو آگ سے پناہ مانگ لو۔ جہنم جس کا ایندھن انسان اور پتھر ہوں گے۔ سورہ بقرہ 23-24  قرآن اپنی کسی سورت کو چیلنج کرتا ہے کہ وہ اس سے ملتی جلتی دوسری سورت بنا لے۔  اسی طرح کے چیلنجز قرآن میں کئی بار دہرائے گئے ہیں۔ موجودہ زمانے تک قرآن کی سورت کی خوبصورتی، تزئین و آرائش، گہرائی اور مع...